আমিই হবো অগ্নিকন্যা দ্রৌপদী
হে স্বাধীনতা তুমি আছো বলেই
এখনো বেঁচে আছি
ক্ষত বিক্ষত বুকে ধারণ করেছি পূর্বপুরুষের করোটি
যেখানে এঁকেছি আমার সোনার বাংলার প্রতিচ্ছবি।
হে স্বাধীনতা তুমি আছো বলেই
ধর্ষিতা বোন রক্তে আনে ধূর্জটি
যার কোপানলে বাংলা থেকে
ভস্ম হবে জঙ্গীবাদের ঘাঁটি।
হে স্বাধীনতা তুমি আছো বলেই
বীরাঙ্গনা মা আমার বুকের পাঁজরে বলে কথা
দশভুজায় রত হয়ে আগলে রাখে সোনার বাংলা।
হে স্বাধীনতা তুমি আছো বলেই
প্রেয়সীর বাঁকাঠোঁটে খেলে যায় অট্টহাসি
সোনার বাংলার সবুজ মাঠে
নতুন স্বপ্ন বুনে কৃষাণ কৃষাণী;
ঘরের বউটি ডেকে বলে
এখনো একাত্তরের বিভীষিকাময় দিনের কথা মনে হলে
নরপিশাচের বিষাক্ত রক্ত একাই গিলে ফেলতে ইচ্ছে করে।
যদি আবার নরখাদক ঘিরে ধরে বাংলার মাটি
যদি মায়ের সবুজ আঁচল নিয়ে করে ওরা টানাটানি
যদি বাংলার আকাশে আবার শকুনির দল করে উড়াউড়ি
যদি রক্তলোলুপ হায়েনার দল ছিঁড়ে ফেলে বোনের রক্তিম ওড়নাটি
তবে আমিই হবো সেই অগ্নিকন্যা দ্রৌপদী
যে বাধিয়েছিল আর্যাবর্তে কুরুক্ষেত্র
যার ইশারায় শুধু পিতামহ ভীষ্ম নয়
প্রাণ দিয়েই প্রমান করলো অন্ধরাজার শতপুত্র।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks