আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না
আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না বরং চাই একটা গোলাপি সদর দরজা একটা নরম কার্পেটের মতো অভ্যর্থনা একটা গা-ডোবা সোফায় কফির উষ্ণতা
আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না বরং চাই কাঁঠালিচাপা গাছওয়ালা উঠোন একটা গুনগুন মৌমাছিরোদের দাওয়া তকতকে মেটে ঘরে কাঁসার থালায় পরমান্ন
আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না বরং সবাই ভুলে যাক ডাক্তারের ফোন নাম্বার সবাই গানে শুনুক ইন্দ্রধনু সবার প্রিমিয়াম ন্যূনতম, আর লাভ দীর্ঘতম হোক
আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না সূর্যছোঁয়া বিকালে প্রেমে পড়ুক সবাই জোছনারাতে ডিঙিতে বাজুক ভাটিয়ালি মাঝরাতের এফ এমে ছড়িয়ে পড়ুন শিপ্রা বসু নিশ্চিন্ত শ্বাস ফেলে বাড়ি ফিরুক লাস্ট বাসের ক্লান্ত ড্রাইভার
আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না বহুতল থেকে উড়ে যাক একাকীত্ব বৃদ্ধাশ্রমে এসে পা ধরুক অমানুষ ছেলে বিদঘুটে বসের মুখে হাসি দেখা দিক কন্যাপণ ফেরত দিক পাত্রের বাবা ধর্ষক ভুলে যাক কাম কাকে বলে খুনীর সকল মন পুষ্পময় হোক
আমি কাউকে বিষণ্ণ করতে চাই না শুধু এই চাওয়াগুলো মেলে না বলে কিছু কিছু ব্যথা কবিতার বেশে হেঁটে যায় তাদের ওপরে আলো ফেলে আরো আলো খুঁজি
এটুকু বিষাদ শুধু
আমার লোহিতে শুয়ে থাকে, আমি তাকে ছুঁয়ে থাকি , সে আমাকে কানে কানে চিরহরিতের কথা বলে
তবু পাতা ঝরে যায়, নতুন পাতার গায়ে বিষণ্ণতাহীন কিছু শব্দ পাব বলে রাজপথ আলপথ একাকার করে
আমি আজও অচেনা পথিক ।।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks