দীর্ঘকবিতা---
কথোপকথন... ০৭
মাহবুবা করিম
— সঞ্চিত পূণ্য নিয়ে যতবার দাঁড়িয়েছি,দেখেছি
অনায়াসে বলাকা ঢুকে যেতে পারে তোমার
ভেতর, ফড়িং - প্রবেশের সব দ্বার খোলা,
প্রভাত - খোলস খোলে মুক্তোর দানার মতন দাঁত।
আমি অতটাও পূণ্যবান নই | অতটাও
পূণ্যবান নই আমি।
জীবন যেখানে প্রবেশ করে, মৃত্যু সেখানে
অপেক্ষারত জংধরা ট্রেন সূপর্ণা ;
আমি মানুষ - মানুষের থাকে পাপ,
পাপীদের থাকে পূণ্যে পুড়ে যাবার ভয়।
— পাপ নেকড়ের মতন ধাওয়া করে। অতিক্রম
করে এলেই ' মৃত্যু ' জীবনে রূপান্তর হয়। তুমি
সাঁতারু সেইখানে সন্দেহের কাঁচ নেই যে
ভাঙবে। তুমি এ্যাথলেট জানি, কুমারিত্ব নষ্টের
মতন হাস্যকর কিছু পোষো না তুমি। যে
কারও ফুসফুসে আলোর উল্কি পেলে তুমি
শ্যামপোকা হয়ে ওঠো, আমি জানি ,
তোমার লাল কাঁকড়ার মতন ছ' পা
আমি জানি, আমি জানি, আমি জানি.....
তুমি রোদনকে চেপে ঝিম ধরে থাকতে পারো,
জানি।
তুমি ব্যথার কীটকে আশ্রয় দাও বৃত্তবুকে,
তবু আমি তোমাকে চাই সর্বদা ; তোমার
মগজের কোষে কোষে একটি কোরাস 'সূপর্ণা'
হোক।
এসো,
অনন্তের পথে বিষাদের চিরকাল থেকে নতুন
সূর্য উদয় হোক; এ দ্বার ফড়িং-এর জন্য
নয়..... কোনদিন ছিলও না।
— মানি প্লান্টকে জিজ্ঞেস করে দেখো, ও চায়
বন-বাঁদাড়ে আকাশমুখী শুয়ে থাকতে...
ঢেউকে জিজ্ঞেস করো, সে ক্ষণিকের জন্য
তীরের গায়ে হেলে পড়ে চলে যায় কেন ?
ভয়.... ভয় সূপর্ণা.... ভয়
একঘেঁয়ে হয়ে ওঠার ভয়,
না, না, বলতে চেয়েছি অন্য কিছু,
একঘেঁয়ে নয় ;
যদি সুখী আঙুর মতন ঝুলে থাকি, ক্রমাগত
পেকে খয়েরী হতে থাকি, কাঁধে ব্যাগ ঝুলানো
পথিক - প্রেমিক হতে থাকি,
যদি দিন - রাত্রির চিহ্ন ভুলে যেতে থাকি,
জন্মহীন- মৃত্যুহীন ঘোর লেগে থাকে,
আমি পারবো না সূপর্ণা, আমি এমন অচেতন ইমাম হতে
পারবো না।
— তুমি আদরের চাবি খুলে ধরলে,
আমি লজ্জাবতীর ফুলের মতো শিশির মেখে
থাকবো ;
প্রচ্ছন্ন গোলাপি রেণু মেখে রাখবো ;
ভীরু কস্তুরি ফুটে থাকবো,
আমাকে বিদীর্ণ করো না,
ধর্মের দোহাই লাগে তোমার.....
— নাস্তিককে তুমি ধর্মের দোহাই দিচ্ছো সূপর্ণা?
ঈশ্বরত্যাগী নরকগামীকে দেখাচ্ছো হুরের
প্রলোভন। তুমি কী জন্মান্ধ? দেখছো না,
ধর্মের গাজর চিরদিন সামনে ঝুলিয়ে
গাধাগুলোকে হাঁটিয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা?
ধর্ম বললে আমি শঠতা বুঝি,
প্রতারণা বুঝি ,
দাঙ্গা, খুন বুঝি
অসাধু বুঝি
আমাকে তুমি তোমার দোহাই দিলেও নত
জিরাফ হয়ে কিছুটা সময় থেকে যেতে
পারতাম, পারতাম সূপর্ণা,
— তুমি আদরের চাবি খুলে ধরলে,
আমি লজ্জাবতীর ফুলের মতো শিশির মেখে
থাকবো ;
প্রচ্ছন্ন গোলাপি রেণু মেখে রাখবো ;
ভীরু কস্তুরি ফুটে থাকবো,
আমাকে বিদীর্ণ করো না,
ধর্মের দোহাই লাগে তোমার.....
— নাস্তিককে তুমি ধর্মের দোহাই দিচ্ছো সূপর্ণা?
ঈশ্বরত্যাগী নরকগামীকে দেখাচ্ছো হুরের
প্রলোভন। তুমি কী জন্মান্ধ? দেখছো না,
ধর্মের গাজর চিরদিন সামনে ঝুলিয়ে
গাধাগুলোকে হাঁটিয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা?
ধর্ম বললে আমি শঠতা বুঝি,
প্রতারণা বুঝি ,
দাঙ্গা, খুন বুঝি
অসাধু বুঝি
আমাকে তুমি তোমার দোহাই দিলেও নত
জিরাফ হয়ে কিছুটা সময় থেকে যেতে
পারতাম, পারতাম সূপর্ণা,
খসরু পারভেজের কবিতা পড়ুন এখানে
রাহমান ওয়াহিদের গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
সিদ্দিক প্রামাণিক এর কবিতা পড়ুন এখানে
আযাদ কালামের কবিতা পড়ুন এখানে
বিজয় দিবসের বিশেষ সংখ্যা পড়ুন এখানে
নাগিব মাহফুজ এর উপন্যাস ভিখারি পড়ুন এখানে
কবি আমিনুল ইসলামের দারুণ কবিতা পড়ুন এখানে
তমিজ উদদ্ীন লোদীর গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
রোকসানা ইয়াসমিন মণির কবিতা পড়ুন এখানে
মতিন বৈরাগীর কবিতা এখানে পড়ুন
মাসুদ মুস্তাফিজের কবিতা পড়ুন এখানে
অমিত চক্রবর্তীর কবিতা পড়ুন এখানে
বড় ও বিখ্যাত কবির কবিতা পড়ুন এখানে
জিয়াবুল ইবন এর কবিতা পড়ুন এখানে
কাজুও ইশিরোগুরের উপন্যাস বিশ্লেষন প্রবন্ধ পড়ুন এখানে
আমারররর...দোহাইইইইই....লাগেএএএএ
— একটি আকুতি প্রতিধ্বনিত হতে হতে আকাশে
বিদ্যুৎ খেলে গেলো সূপর্ণা,পাকিদের মতন
অন্ধকার ঝাঁপিয়ে পড়তে লাগলো, ছেনাল
মেয়ে-ছেলের মতন ধ্বংসের ইশারায়-
পৃথিবীর ভ্রু নেচে উঠলো,
মেঘ-বিভোর রাত নামতে লাগলো,
বিষের বকুল আত্মচিৎকারে মগ্ন হতেলাগলো
তুমি এত পবিত্র কেন সূপর্ণা?
যদি মরতেই চাও.... আমি এক পরাধীন বুলেট ;
তোমার বুকে প্রবেশের অনুমতি দাও।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks