খসরু পারভেজের দশটি কবিতা।। poems by khosru parvez.kuasha

খসরু পারভেজের দশটি কবিতা 

শুক্রবারের কবিতা 

বলেছিলে শুদ্ধ-শুক্রবারে দেখা হবে 
রক্তে ভেজা রাজপথে বাজে ক্লান্ত ভায়োলিন 
সময়ের বারগুলো এত দীর্ঘ কেন 
শঙ্কাশূন‍্য শুক্রবার কবে ফিরে পাবো

অপেক্ষার শেষ সিঁড়িতে পা রেখে বসে আছি
দুঃখগুলো কত দ্রুত বেড়ে ওঠে বিষবহ ক‍্যাকটাস কুহকের নগ্ন চাদরে আবৃত আমার আগামী
দূর থেকে ভেসে আসে আশ্চর্য ঘুমের ঘ্রাণ
বৃহস্পতিবার নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে তিপ্পান্ন বছর
আসে না কখনো সেই শুক্রবার 

কালের শরীর থেকে চুইয়ে পড়া কষ্টের কালোজল
ছুঁয়ে হেসে ওঠে আমার তুমুল তৃষ্ণা
দুঃখময়ী, শুধু তোমার জন‍্য আমার এই বেঁচে থাকা
সুখের সেপটিপিনে প্রতিদিন
যে তুমি সেলাই করো বোতামহীন আমার জামা।

আমাদের চায়ের দোকান 

বহুচর্চিত চায়ের দোকানে চাঅন্ধ মানুষের ভিড়
টেবিলে টেবিলে লাফিয়ে বেড়ায় অবোধ আনন্দ

টগবগে কেটলিতে ফুটতে থাকে জীবনের জল
চায়ের গ্লাসে গ্লাসে পরচর্চা-পাউরুটি
রাজনীতির রঙিন টোস্ট
হেসে ওঠে ভাঙা বেঞ্চ,লাল টুল

চুমুকে চুমুকে চাটাবাজতন্ত্রের শকুনশাস্ত্র
বেহুদা বিড়ির লোভ, ভুল ভোটের গল্প
গোপনাঙ্গ চুলকাতে চুলকাতে 
কেউ কেউ রাষ্ট্রের মুখে ছুঁড়ে দেয় পানের পিক

টিভিতে শৃগালসিনেমা,দুর্ভিক্ষের পূর্বাভাস
ফাঁকাবুলি-বাকোয়াজ,পাচার পাঁচালী-সিন্ডিকেট
শূন্য পকেটে কেউ কেউ নকশাল বাড়ির নায়ক

এখানে এসে আমি
কখনো তপ্ত জলে গুলে খাই কবিতার কারুকাজ
ইদানীং চাওয়ালা আমার হাতে তুলে দেন চিনির বদলে
আমারই রক্ত দিয়ে বানানো গাঢ় লাল চা

রাত ঘন হলে সবাই ফিরে যায় ঘরে
ব‍্যর্থ ব‍্যালট পুড়ানো চুলোর আগুন গনগনে তখনও
শীতের রাতে চুলোর পাশে কুণ্ডলী পাকিয়ে
প্রতিদিন শুয়ে থাকে একটি বয়েসী কুকুর

গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে দেখি
গনগনে চুলোর পাশে যেন শুয়ে আছে 
আমার বাংলাদেশ।

লোকটি

পরাণ পাগলার মোড়ে প্রায়ই দেখা হয় লোকটির সাথে। শহিদ মিনারের পাদদেশে প্রতিদিন কবিতা পাঠ, আবৃত্তি, গান, নাটক---স্বৈরাচারের পতন হোক। 

এই লোকটি নিয়মিত শ্রোতা। কেউ হাততালি না দিলেও সে একা একাই হাততালি দেয়। কৌতুহলী হয়ে একদিন জিজ্ঞেস করি,----কোথায় আপনার বাড়ি?কোনো কথা বলে না সে। আবার একদিন জিজ্ঞেস করি---আপনার বাড়ি কোথায় বললেন না তো? এবার সে হাসি মুখে বলে,----আপনাকে একদিন নিয়ে যাব।

সেদিন শহিদ মিনারে ঢুকতেই দেখি লোকটি দাঁড়িয়ে আছে মোড়ের গলিতে। বলল,----- চলুন যাই...! আমি তার পিছে পিছে হাঁটতে হাঁটতে একটি গলির ভেতর ঢুকে পড়ি। লোকটি আঙুল উঁচু করে দেখায় এটাই আমার বাড়ি।

আমি তাকিয়ে দেখি সেখানে কোনো বাড়ি নেই। একটি খোলা মাঠ ; আলো অন্ধকারে কয়েকটি কঙ্কাল ধুম নেচে চলেছে।  আর ভুল সুরে গাইছে জাতীয় সংগীত।  পেছনে তাকিয়ে দেখি লোকটিও নেই। 

ভ‍্যানগগ

গম ক্ষেত দেখলে আমার ভ‍্যানগগের কথা মনে পড়ে
জীবনের ক‍্যানভাসে আঁকা যেন তাঁর তুলির আঁচড়
সবুজ কীভাবে সোনালি হয় শিখেছিলাম দিগন্তের কাছে
কিন্তু সোনালি কীভাবে সবুজ হয়
সবুজ থেকে নীল আর হলুদে মেশানো কবিতা হয়ে যায়
আমাকে তা শিখিয়েছিলেন ভিনসেন্ট ভ‍্যানগগ

সোনার জলে ভেজানো বিস্তির্ণ গমক্ষেত
বুকের ভেতর নেচে ওঠা সকালের ডোডো পাখি
জলরঙে আঁকা উদভ্রান্ত দ্বিপ্রহর
বিষণ্ন জাদুকরের দল ফিরে গেছে অনেক আগেই 
গমক্ষেতে ক্ষুধার্ত কাকের ভিড়
আমাকে অভিবাদন জানিয়ে ডাকছেন
ভিনসেন্ট ভ‍্যানগগ।

মাঞ্জা

বন্ধুকের গুলিতে মায়াকোভস্কি
ঝাঁঝরা করে দিচ্ছেন নিজের করোটি
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে নিজের মুখগহ্বরে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন প্রিয় শর্টগান
ভার্জিনিয়া উলফ ওভারকোটে নূড়ি ভরে নেমে যাচ্ছেন খরনদীতে
চুল্লির চিমনিতে মাথা ঢুকিয়ে দিচ্ছেন সিলভিয়া প্লাথ
টেবিল টিস‍্যুর মতো জীবনকে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছেন কাওয়াবাতা
ওদেরকে যখন ফেরাতে পারছি না, তখন প্রাণের
পিকনিকে মেতে ওঠা ছাড়া আমি আর কী করতে পারি

জীবন নামের ছোট্ট এক টুকরো পাউরুটি
চকচকে চামচে তার উপরে কে মাখিয়ে দিচ্ছে বিষণ্ন জেলি, তবু
শিল্পের সারৎসার আনন্দটেবিলে থাপ্পড় মেরে হাসছে

আসা আর যাওয়ার মাঝখানে অনন্ত সুতোর সেতু
টান টান করে বেঁধে রাখা সুতোয় আমি মাঞ্জা ঘষছি

শেষ পাতাটিও শাখায় থাকল না
পুলক বাবু, আপনিও শেষপর্যন্ত গঙ্গাকে চিনলেন
গঙা থেকে পদ্মায় এখনো দুরন্ত ধীবরেরা দুঃখের জাল ফেলে
ইলিশের বদলে আপনাকে খুঁজে ফিরছে
আপনার শেষ লেখা গানটির কী সুর হয়েছে
কে গাইবে, মান্না নাকি লতা

জনপ্লেয়ারের অমরত্ব

একটি সিগারেট ধরিয়েছি সেই উনিশশ বাষষ্টিতে
এখনো ঠোঁট জুড়ে জ্বলছে, একটুও ফুরাল না।

নিকোটিন নিকোটিনে নিজেকে সাজাই
আমার চারপাশের বৃক্ষেরাও এখন বিষের চুরট টানে
ভোঁতা হয়ে গেছে টাইমকুঠার।

একটি সোনালি শালিক বুকের ভেতর তড়পায়
কে তাকে আটকে রেখেছে এতটা বছর, তুমি কি জান
হে দেশলাই,  তাকেও পোড়াও কেন

আমার বন্ধুরা অনেকে, অনেক আগেই বিড়ি ছেড়েছে
বিড়ি ছেড়েছে তবু ওদের ফুসফুসে জমে আছে কালকাশি

তোমরা বিড়ি ছাড়ো, বউ ধরো
আমি সিগরেটের ধোয়ায় জীবনের জুতা পরে হাঁটি
জন প্লেয়ার, তোমাকে অমরত্ম দিয়েছে কে? 

কবিতার মৃত‍্যু

একটি কবিতার মৃত‍্যু হয়েছে সেদিন। মৃত‍্যুটা ছিল
রহস‍্যজনক। সুনসান, গোলগাল, নিরুপম কবিতাটি
খেলছিল, হাসছিল নন্দন নগরের গলিতে। বিদ‍্যুৎপিষ্ট
পাখির মতো মুখ থুবড়ে পড়ে ছিল পথে। অকস্মাৎ তার মৃত‍্যুখবরে রাজ‍্যজুড়ে তোড়পাড়। খুন নাকি আত্মহত্যা !
কবিতার মৃত‍্যু হলে পৃথিবীতে খরা নামে, মানুষগুলো
শৃগালের সঙ্গী হয়ে যায়,স্বপ্ন আর বাস্তবতা একাকার হয়ে
যায় বিষবৃষ্টিতে; একথা স্বপ্নভুক সম্রাট জানতেন।
সারাদেশে শোকপতাকা উড়ছিল। পৃথিবীর রাজন‍্যবর্গ
পাঠিয়েছিলেন শোকবার্তা। তৃতীয় বিশ্বের অসামান‍্য
একটি কবিতার জন‍্য এত উদ্বেগ, এত সমবেদনা-
সহমর্মিতা, কেউই ভাবেনি! স্কুলে স্কুলে - পথে পথে -
পকেটে পকেটে শোকচিহ্ন। অথচ কেউ জানেই না
কবিতাটি কার লেখা, কে এই কবিতার সার্থক জনক।

মহান মরচুয়ারিতে কবিতাটি যখন রাখা হয়েছিল, কেঁপে উঠেছিল লাশঘর। বাইরে তুমুল হৈচৈ, 'আমার কবিতা, আমার কবিতা' বলে চিৎকার করছিল অজস্র কবি। অগণন উপস্থিতি পুলিশ, মিডিয়াকর্মীদের। অন‍্যদিকে 'কবিতার মৃত‍্যু নেই'- শ্লোগানে মুখরিত আকাশ বাতাস।

রাষ্ট্রীয় নির্দেশে কবিতাটির পোস্টমার্টেম হবে। পুরো জাতি অপেক্ষায়। কোনো দীর্ঘসূত্রিতা নয়, দ্রুত চাই তদন্ত রিপোর্ট ; বিশ্ব কবিতা সংঘের পোস্টার, সমূহ বিবৃতি।

অথচ আজ সকাল থেকেই টেলিভিশনের ব্রেকিং নিউজে প্রচারিত হচ্ছে,-- কবিতাটির ময়নতদন্তের দায়িত্বে নিয়োজিত হাসপাতালটিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

পোয়াতির কারিগর

কার বউ নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে কে?
কাঁদছে সোনাভান, কাঁদছে কেন?

করিমনের মেয়েটি ঘরে ফেরেনি আজ
কে তার পোয়াতির কারিগর 
আজ ধুন্দুমার নাচ হবে টঙঘরে
বাইরে চাঁদপোড়া অন্ধকার 
পোড়ামুখী তোর কপাল পুড়েছে

মোল্লাবাড়ির উঠোনে ফতোয়াবাজার
খোয়াড়ের খুঁটিতে বাঁধা ঘোমটা পরা কে
পাথর ছুঁড়তে ছুঁড়তে আসছে অশান্ত শুক্রবার
জব্বুর মাঝি, তোর বৈঠাখানা দে

বিচার হবে কার, মোল্লার ছাওয়ালের?
একটুখানি আগুন দে
বিড়িখানা ধরিয়ে নিই। 


নতুন কবিতা লেখার আগে

এই উলঙ্গ উদযাপন বেহুদা সার্কাস
দুচোখ ভরে দেখার চেয়ে ফিরে যাই, চলো

আমি ছিনালের মতো 
শরীরের সবকিছু খুলে কীভাবে দেখাব আর
আমার পীঠে ঐতিহাসিক চাবুকের ক্ষত
সুপীড়িত সময়ও দেখো
কী অদ্ভুত পরে আছে ডোরাকাটা শার্ট
ক্ষতচিহ্ন ঢেকে রাখাই আনন্দ অনেক

ফিরে যাবো
ঘরহীন মানুষের মতো অনিশ্চিত অন্ধকারে
পায়ে রক্ত ঝরাতে ঝরাতে তবু ভালো 

একটি নতুন কবিতা লেখার আগে
ওরা নিশ্চিত আমাকে অন্ধ করে দেবে

রাহমান ওয়াহিদের গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
সিদ্দিক প্রামাণিক এর কবিতা পড়ুন এখানে
আযাদ কালামের কবিতা পড়ুন এখানে
বিজয় দিবসের বিশেষ সংখ্যা পড়ুন এখানে
নাগিব মাহফুজ এর উপন্যাস ভিখারি পড়ুন এখানে
কবি আমিনুল ইসলামের দারুণ কবিতা পড়ুন এখানে
তমিজ উদদ্ীন লোদীর গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
রোকসানা ইয়াসমিন মণির কবিতা পড়ুন এখানে
মতিন বৈরাগীর কবিতা এখানে পড়ুন
মাসুদ মুস্তাফিজের কবিতা পড়ুন এখানে
অমিত চক্রবর্তীর কবিতা পড়ুন এখানে


ফায়ারবক্স ও বুবনবৃত্তান্ত

ডেক্সটপ অন করতেই বিশ্রী বুবনের মুখ
আমার বিজয় বর্ণমালাকে বিদ্রুপ করে
সহাস‍্যে লাফাতে থাকে স্ক্রিন জুড়ে

কতবার প্রোফাইল পিকচার সেভ করে রাখি
মনের মতো করে সাজিয়ে রাখি ব‍্যাকগ্রাউন্ড
নীল আকাশ, ঝরনা ধারা,পাহাড়ের গান, মধুপল্লী
এমনকি কৃষ্ণচূড়া ঝরে পড়া পথের সীমানা 
অথচ রিসাইকেলবিনে ঢুকে পড়ে সবকিছু 

যতবার কীবোর্ডে আঙুল রাখি, মাউস ঘোরাই
মেনু অপশান, গুগল ড্রাইভ ফ্রিজ হয়ে থাকে
তাহলে আমার সবকিছু কি বুবনের দখলে এখন
নাকি ওই বুবনই এখন ধূর্ত হ‍্যাকার 

আর কত কঠিন পাসওয়ার্ড দিতে বলো
কত ভিপিএন, সিকিউরড অ‍্যাপস,আনলক প‍্যাটার্ন
কতবার কতকিছু দিয়েছি তো
তারপরও দখল হয়ে যায়
আমার ফেসবুক, টুইটার, ইমেইল, ইনষ্ট্রাগ্রাম
আমার ভার্চুয়াল লাইফ, সব - সবকিছুই 

এমনি করেই কি হারিয়ে যাবে আমার সাধের
সুতন্বী, সুশ্রী, অভ্র, নিকষ ও চারুনন্দন বর্ণমালাগুলো
হাতছাড়া হয়ে যাবে ভালোবাসা - ভাষাগ্রাম

আমার দিকে ধেয়ে আসছে প্রবল প্রস্তর যুগ
ডিজিটাল হতে হতে স্মার্ট হতে হতে
আমি তো ভুলেই গেছি 
কী করে পাথরে পাথর ঘসে আগুন জ্বালাতে হয়

জীবন, তোমার ইউজার নেম বলো
দেখ, ফায়ারবক্সের কাছে এসে কেমন থমকে গেছি আমি
এসো,আগুনে আগুনে আমাকে লগইন করে দিয়ে যাও
বুবনের জন‍্য প্রয়োজন এখন অজস্র বার্নিং অ‍্যাপস।









1 মন্তব্যসমূহ

Thanks

  1. একুশ শতকের এই সময়টা সরল ভাবনার দিনরাত নয়,-- সরল ভাষার কবিতারও সময় নয়। বিশ্বভ্রমণের চোখ দিয়ে জীবন ও জগৎকে দেখা লাগে এসময়ের একজন কবির। খসরুর পারভেজ তেমনি একজন কবি। পরিবর্তনশীল গ্রামের চায়ের দোকানের নতুন ধাঁচের আড্ডা থেকে ভ্যান গগের ছবি আঁকার ক্যানভাস , প্রকৃতির নদীতে জেগে ওঠা আবহমান ছন্দের ঢেউ থেকে প্রযুক্তির হৃদয়হীন উদ্ভট নৃত্য-- এসবই তাঁর কাব্যিক অবলোকনের যুগপৎ কেন্দ্র ও পরিসীমা। কুয়াশা-র পাতায় এখানে প্রকাশিত তাঁর কবিতাগুলো বিস্তারিত জীবনের খুঁটিনাটি কোণের ছবি তুলে ধরেছে শিল্পের তুলিতে ব্যবহার করে শব্দ-উপমা-চিত্রকল্পের নতুন রঙ ও রস। কবিতাগুলো একইসঙ্গে হৃদয়িক আবেগ ও বুদ্ধিবৃত্তিক মননশীলতার সংশ্লেষে রচিত যা যথাযথভাবে একবিংশ সময়কে প্রতিনিধিত্ব করতে চায়। “ ফায়ারবক্সের কাছে এসে কেমন থমকে গেছি আমি / এসো,আগুনে আগুনে আমাকে লগইন করে দিয়ে যাও “, “ ইদানীং চাওয়ালা আমার হাতে তুলে দেন চিনির বদলে /আমারই রক্ত দিয়ে বানানো গাঢ় লাল চা “ , “ টেবিল টিস‍্যুর মতো জীবনকে ছুঁড়ে ফেলে দিচ্ছেন কাওয়াবাতা “, “ টগবগে কেটলিতে ফুটতে থাকে জীবনের জল /
    চায়ের গ্লাসে গ্লাসে পরচর্চা-পাউরুটি / রাজনীতির রঙিন টোস্ট / হেসে ওঠে ভাঙা বেঞ্চ,লাল টুল “--- এসব চিত্রকল্প অভিনব ভাবনার, নতুন কবিতাভাষার। কবিতাগুলো আনন্দ দেয়, ভাবায় এবং উসকিয়ে দিতে চায় প্রচলিত জীবনবোধকে গভীর প্রশ্নশীলতায়।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thanks

নবীনতর পূর্বতন