অবশেষে ঈশ্বরও জেনেছেন
বক্ষমূল নড়ে উঠলো সুবেহসাদেকের বাতাসে
তোমার মায়ার টান ভাসছে আত্মার কিনারে,
আমি তোমাকে অসহায়ের সহায় ভেবে
প্রার্থনার বাতাসে কাত হয়ে পড়ে আছি
আকাশের কন্ঠস্বর ফুলের কামনা ভুলে আমার
চিরকালের পদ্মার নাম ধরে ডাক দিলো।
যাকে কোনকালে পাওয়া যাবেনা তার কাছে
সম্পূর্ণ করে নিজেকে সঁপে দেবার নাম সেজদা।
যে আগুনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমি প্রতিদিন
তোমার সন্ধান করি সে আমার অনন্তকাল-প্রেম,
আমি জানি স্পর্শ দিয়ে ঈশ্বর'কে কখনো কেউ
আন্দাজ করতে পারেনি যেমন আমিও তোমাকে।
বিশ্বাসের হামাগুড়ি তোমাকে ছোঁয়ে আসা একখন্ড
বাতাসকে বুকে টেনে তোমার নিঃশ্বাসের সুবাশ মাখে,
আমার বুকের মাঝখানে খুব কষ্টে ভেজা তরঙ্গ
তুমি দেবীর অমন স্পর্শে ইমানদার হয়ে যায়।
আমি শূন্যতার তাড়া খেয়ে প্রেমহীন কালের
অপরপ্রান্তে তোমার ছায়ার ওপর সেজদা রাখি।
কালের নিশীথে যে শামুক অন্ধকারকে পিঠে বয়ে
অনন্তকাল জপে তার নামের অমলিন অক্ষয় আয়াত
তবুতো কেউ পায়নি খুঁজে যেমন তোমাকেও আমি,
পেয়েছে কেউ নেইতো দলিলে শুধু আত্মার মোলাকাত।
০৪.০৩.৯১৭
রটেনষ্টল,ইংল্যান্ড
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks