এমরান হাসান এর ১০ টি কবিতা
দৃশ্যদূর
দেখছো যেটুকু,সবটাই কবিতা!
চিনেছি —
পথ যেমন, মৃত্যুর— মেঘমেদুরতার বিপুল ক্ষয়িষ্ণু ছায়া
বাঁকে ফেরা রহস্য গল্পের বৃষ্টি যেমন...
এসো,
পড়েছো যতোটা,সবটাই আহাজারি শুধু।
মগ্ন পথের দিনযাপনের কান্না হয়েছে সহজ,সুন্দর!
যাই...
নশ্বর শরীর ফেলে দূরে।
কথিত কোন ঈশ্বর আসেনি কখনো যে পথে
ছুঁয়ে যাওয়া রাত্রির দূরপ্রান্ত-সুর,দৃশ্য অমিতাভ!
আহা!অতদূর হয়নি তো আঁকা, করুণ জলের রেখা।
সমমৃত্যু
হতে পারেনি কেউ প্রিয় এমন।
পথ আর পায়ের সন্ধ্যা মেখে, পালকের ক্ষোভ মুছে
যে কেউ এখানে আসতে পারে ভুলের সৌন্দর্য লুকোতে।
বিজয়ের আসন্ন পথে ক্লান্তিহীন চিরচেনা এই বাঁকে
যতবার লুকোতে চেয়েছি হিংসাতুর মুখের কৌশল
আজন্ম শিল্পের দায়ে বারবার হয়ে গেছি নতজানু
স্নিগ্ধ এক পরমানন্দের লোভে মুখর পরাজিতের বেশে
যে কেউ আসতে পারে এখানে
সময়ের তীব্র ঘুম মুছে ফেলে।
পায়ের কাছাকাছি ছাপা হতে থাকে করুনপন্থী পথ
রোদের আড়ালে বেড়ে ওঠা চিরচেনা ছায়াটির মতন
একে গেছে কেউ ভালোবাসার চিহ্ন প্রতিমুখ
কে জানে কোথায় আলো আসে।
কে আর দারুণ বিক্ষত বুকে করুণ বিদ্রোহ ভালবাসে?
যতিচিহ্ন
আদিম উদ্ধারচিহ্নের উদ্ধৃতিতে মুছে যায় দিকচিহ্ন সব
কে না জানে পুণ্ড্র, মৌর্য, গুপ্ত, পাল রাজ্যের কাল-কথা?
বিস্মিত সচিত্র তালিকাভুক্তির রেশ লেগেছিল সাম্পানে
পর্যায়বৃত্তের নতুনত্বে ঝুঁকে গেছে দারুণ অধ্যায়
যেন কোথাও সরে গ্যাছে খাঁটি সুবর্ণ বন্দরে ভিড় করা
অনাম্নী রূপসী এক ভূমিতীর্থ-
আশ্চর্য আরাধ্য যার নাম, যেন সহস্রাব্দের দাম্ভিক জপমন্ত্র!
সুরকণ্ঠী পাখির জীবনচক্র যেমন, আশ্চর্য আলোয় বেড়ে ওঠে প্রত্যহ
তার বিম্ব, চিহ্ন ধরে রাখে এক অলৌকিক মোহে
প্রাচুর্য সাজায় তার নিজস্ব ভাবনার ঘর গৃহস্থালি।
অনুচ্চকিত ভাবনায় জড়ানো সে সিগ্ধ মনোরম সুখ
সমুদ্র ঢেউ এসে জড়ায় বিশালতার নিশ্চুপ আহবানে...
আয়োজিত আদিম যতিচিহ্নে মুদ্রিত সহস্রকালের ঘুম
মায়াবী হরিণা'র বেশে চিরদুরন্ত এই সুন্দরতম ঘোর
মুহুর্ত ভালোবাসা থেকে দুরত্বে নয় স্পর্শের ব্যাকুলতা
নিধুয়া সন্ধ্যার দিকে এই প্রতিশব্দ রেখেছে স্বদেশ
বৃত্ত
রেখে যাই কৌশলীযুগের অধিবিদ্যাবয়ান।সরোজ চিন্তাশরীফ।
রাসকালের যোনিগন্ধা শরীরীবেশ ভালো থাকা প্রহসন পোড়ায়।
দূরত্ব চেনে কি আলো হাতড়ে দেখা সে ঘুমের পায়চারি?
মনে পড়ে—অন্তিম আকাশ হারানো পায়ের কাছে থেমেছে জীবন
ন্যূন এক ভগ্নাংশ মেপে রাখা শৃগালের কঙ্কালে
কালো চিত্র দমে আসে প্রতিরূপ ভোরের কুয়াশায়।
যে চিহ্ন ধ্রুবজাত,অবিনাশী গানের প্রেক্ষিতে নিশ্চল।
ঘুমন্ত শরীর ছিঁড়ে গেছে আত্মবৈভবের সুর পঞ্চায়েত
রাশি রাশি রোদ হাওয়ার শব্দ মুছে দাম্ভিকতা শেখালো।
আঁকানো পেয়াল বেপ্যে যতোটা সুখী জলের উষ্ণতা
ঠিক তার বিকিরণে পরাজিত এক চোখ তৃষ্ণা সহজিয়া
যেন কেউ নেই একান্নবর্তী মানুষের চোখে।
চলৎজীবনের দাস আঁকেনি সরল রেখা কারো।
তবু সময়ের আড়ালে নুইয়ে পড়া পাহাড়িয়া আলোয়
নেমে আসুক আদিমগ্ন আগামীর পথ-বৃত্তান্ত,
ছেপে যাও দুঃসময় নপুংসক সভ্যতা অনুসারে
সহজ মগ্নতা খুঁজে ফেরারি হোক তবে মহাদৃশ্যরূপ।
পরিব্রাজক
এ দৃশ্যের আমি কেউ নই।
মৃত্যুর আলপনা এঁকে বেঁচে থাকা কেমন হাস্যকর!
বোধকরি ছিঁড়েছে বীণার শেষ তার
যেখানে বাজাতাম সুর,
ভাব বৈভবে দেবী স্বরস্বতী মায়ার অক্ষর শেখাতেন রোজ
তাঁর করুণ চোখে দেখে গিয়েছি সমুদ্রের শেষ জোয়ার।
পরিতন্দ্রার আঁধার চিঁরে কোন কালে আসেনি কেউ।
এমনই মায়াপ্রবঞ্চক জীবনের লেনদেন।
হাওয়া হরিণের পায়ে বেঁধেছে কে কবে কালের ঘুঙুর?
অপরাহ্ন পোড়ানোর শেষে সেই এঁকেছে সিঁদুর কুমারী-সিঁথিতে।
সুদৃশ্য কাঁচের আলোয় গলে গ্যাছে মোহমুক্তির দাওয়াই
উচ্ছনের পায়রা বসেছে উড়াল মগজে সহসাই
জীবনের আলপনা এঁকে মরেছে চাতক কেমন ভয়ংকর!
পুষ্প
মুক্তি।
এসেছে আগেই।
যেমন প্রহর,হঠাৎ আলোকোজ্জ্বল!
এরকমই।
সবকিছুই সুন্দর
পাপ,পূণ্য,হিংসা,দহন
আয়োজনে আরো পুষ্পিত সব।
একাগ্রতা কিংবা যুদ্ধ
যুবতীর ঠোঁটে এঁকে যাওয়া চুম্বনের ঘ্রান নেমেছে নাভিগ্রামে
দু'টোই শূন্য।
একসাথে দোলে সন্ধ্যা-রাত্রি যেমন।
স্পর্শ, হয়তো এমনই।
যেরকম থাকো পুষ্পিত পুষ্প
দোলাও হৃদয়,জুড়ে অনন্তবীধি..
উন্মুক্ত উদ্ভাস
কলম খুলে শেষবার
বসবো সাদা কাগজের মন্দিরে।
করজোড়ে নতজানু হবো
ক্ষমা চাইবো অসহায় অক্ষরের কাছে
ক্ষমা চাইবো সমানুপাতিক শিরোনামের পক্ষপাতিত্ত্বের কাছে
ক্ষমা চাইবো ভাষা নিয়ে তৃপ্ত সম্ভাষণের কাছে।
মৃত্তিকা আর মায়াবর্তি মানুষের বেশে আর নয়,
কোনদিন বসে থাকার ইচ্ছেটিও নেই আর খড়ের আলপনায়।
যখন লেগেছে আগুন শব্দের বাতিদানে
পুড়ে যাচ্ছে দীর্ঘ প্রণয়ের উপাখ্যানে লেপ্টে থাকা রঙের আঁচড়
ধ্বসে যাচ্ছে অ আ ক খ আরক্তিম বর্ণমালা।
যখন সহনীয়তা শেখাচ্ছে খোয়াড়ের শুয়োর
দেখাচ্ছে রক্ত লোলুপতা,ঘ্রাণে - অঘ্রাণে
নিভে যাচ্ছে লুই,কাহ্ন,ভুসুকু'র ধ্যানকুঠুরির আদিম আলো
মহামহোপাধ্যায় শাস্ত্রী'র নিরঙ্কুশ মন্তব্যের সাহসী কণ্ঠ
সালাম, বরকত,শফিউরের উজ্জ্বল আয়োজন
সহ্য ও অসহ্যের দারুণ মিথস্ক্রিয়ায় চুপ হয়ে বসবো শেষবার
কলম লিখবে সবটাই
লিখে যাবে হাতের পাঁচ আঙুল
মগজে মননে গেঁথে যাবে একচ্ছত্র উন্মাদ ধ্বনিতত্ত্ব।
মগ্নবৈভব
গহীন কুয়াশার একরত্তি হাওয়া নিয়ে যায় রোজ।
আগ্রহী চোখের দৃষ্টি খুলে দেখা চুপটি করে শাদা মেঘে !
একজন্ম আঁধার ধরে রাখা এক অদ্ভুত আহবানে বসে আছে সে।
পায়ের নিচে শিশিরে ভেজা ঘাস,
চোখের সামনে এক অদম্য বিহবলতা— মনিরামপুর!
আলোর নাচনে মুগ্ধ এই প্রাণ।নিরন্তর সে শোনায় শিল্পীত সংগীত।
শুনতে শুনতে ধ্যানী হয়ে ওঠে শীতার্ত মগজ...
পায়ের পাশাপাশি পা চলে নিত্যদিন।
পৌষে মগ্ন হয় কী এক দুঃখ কাল্পনিক!
ফিরিয়ে নেয় সে আজন্ম কাঙ্ক্ষিত সময়
ভুলের আড়ালে যাত্রা-চিত্র এঁকে ফেলি ভুলে
মিথ্যে ভোরের আড়ালে তবুও থেকে যায় রেলযাত্রার সুর
তন্ময়তা জুড়ে আঁকে দীর্ঘ পথ— মনিরামপুর!
নস্টালজিয়া
সবাই এখন নষ্ট হচ্ছে যে যার মতো
কেউ বা মিথ্যে সংসারে
জীবন নামের অঙ্গারে
কেউ বা আবার মিথ্যে আশায়
ভুল মানুষের ভালোবাসায়
সবাই ভীষণ নষ্ট হচ্ছে
নষ্ট হচ্ছে এই নগরের আদিম আকাশ
নষ্ট হচ্ছে স্বপ্নচূড়ার দারুণ আবাস !
কবিই শুধু আগের মতো
বুকে নিয়ে গভীর ক্ষতো
জেগে থাকে মধ্যরাতে
যখন তোকে নষ্ট করে ঘুমের ভেতর অন্য পুরুষ
যখন তুই অন্য কারো স্বপ্নে রাঙা মিথ্যে মানুষ ।
সম্পাদক,প্রিয়বরেষু
ঘুমে একা ঝাপটে ধরা দুঃখ'রা সব কোথায় থাকে?
রাতের আড়া'য় ঝিম লাগা সব আগুন পাখায়
কার কাছে যে বৃত্তাবদ্ধ আহবানের মুহুর্তকে
বেভুল বলে বিকেলগুলো ছন্দ শেখায়!
তুই কি জানিস?
গভীরে রাতের গল্পগুলো,কালের ধুলোয় হারিয়ে গেলে
বিশাল,শূন্য বুকের পাঁজর হঠাৎ করেই এলেবেলে
দারুণ সকল কাহিনিতে জড়ায় দু'চোখ চুপটি করে
মায়ের মুখের করুণ সাহস নামায় আঁধার আকড়ে ধরে
তুই কি বুঝিস?
বুঝিস এসব?
মিছেই কেবল দম্ভ করিস,
ভড়ং ধরে দাঁপিয়ে ফিরিস মত্ত পাড়ার অন্ধগলি
জারজ হে তুই ,দুষ্টু শেয়াল
বুঝতে পারিস ভালো-মন্দ লেখার দেয়াল?
না বুঝলে সম্পাদনা করতে আসিস ক্যান হে শুয়োর?
প্রাচুর্য সাজায় তার নিজস্ব ভাবনার ঘর গৃহস্থালি।
অনুচ্চকিত ভাবনায় জড়ানো সে সিগ্ধ মনোরম সুখ
সমুদ্র ঢেউ এসে জড়ায় বিশালতার নিশ্চুপ আহবানে...
আয়োজিত আদিম যতিচিহ্নে মুদ্রিত সহস্রকালের ঘুম
মায়াবী হরিণা'র বেশে চিরদুরন্ত এই সুন্দরতম ঘোর
মুহুর্ত ভালোবাসা থেকে দুরত্বে নয় স্পর্শের ব্যাকুলতা
নিধুয়া সন্ধ্যার দিকে এই প্রতিশব্দ রেখেছে স্বদেশ
বৃত্ত
রেখে যাই কৌশলীযুগের অধিবিদ্যাবয়ান।সরোজ চিন্তাশরীফ।
রাসকালের যোনিগন্ধা শরীরীবেশ ভালো থাকা প্রহসন পোড়ায়।
দূরত্ব চেনে কি আলো হাতড়ে দেখা সে ঘুমের পায়চারি?
মনে পড়ে—অন্তিম আকাশ হারানো পায়ের কাছে থেমেছে জীবন
ন্যূন এক ভগ্নাংশ মেপে রাখা শৃগালের কঙ্কালে
কালো চিত্র দমে আসে প্রতিরূপ ভোরের কুয়াশায়।
যে চিহ্ন ধ্রুবজাত,অবিনাশী গানের প্রেক্ষিতে নিশ্চল।
ঘুমন্ত শরীর ছিঁড়ে গেছে আত্মবৈভবের সুর পঞ্চায়েত
রাশি রাশি রোদ হাওয়ার শব্দ মুছে দাম্ভিকতা শেখালো।
আঁকানো পেয়াল বেপ্যে যতোটা সুখী জলের উষ্ণতা
ঠিক তার বিকিরণে পরাজিত এক চোখ তৃষ্ণা সহজিয়া
যেন কেউ নেই একান্নবর্তী মানুষের চোখে।
চলৎজীবনের দাস আঁকেনি সরল রেখা কারো।
তবু সময়ের আড়ালে নুইয়ে পড়া পাহাড়িয়া আলোয়
নেমে আসুক আদিমগ্ন আগামীর পথ-বৃত্তান্ত,
ছেপে যাও দুঃসময় নপুংসক সভ্যতা অনুসারে
সহজ মগ্নতা খুঁজে ফেরারি হোক তবে মহাদৃশ্যরূপ।
পরিব্রাজক
এ দৃশ্যের আমি কেউ নই।
মৃত্যুর আলপনা এঁকে বেঁচে থাকা কেমন হাস্যকর!
বোধকরি ছিঁড়েছে বীণার শেষ তার
যেখানে বাজাতাম সুর,
ভাব বৈভবে দেবী স্বরস্বতী মায়ার অক্ষর শেখাতেন রোজ
তাঁর করুণ চোখে দেখে গিয়েছি সমুদ্রের শেষ জোয়ার।
পরিতন্দ্রার আঁধার চিঁরে কোন কালে আসেনি কেউ।
এমনই মায়াপ্রবঞ্চক জীবনের লেনদেন।
হাওয়া হরিণের পায়ে বেঁধেছে কে কবে কালের ঘুঙুর?
অপরাহ্ন পোড়ানোর শেষে সেই এঁকেছে সিঁদুর কুমারী-সিঁথিতে।
সুদৃশ্য কাঁচের আলোয় গলে গ্যাছে মোহমুক্তির দাওয়াই
উচ্ছনের পায়রা বসেছে উড়াল মগজে সহসাই
জীবনের আলপনা এঁকে মরেছে চাতক কেমন ভয়ংকর!
পুষ্প
মুক্তি।
এসেছে আগেই।
যেমন প্রহর,হঠাৎ আলোকোজ্জ্বল!
এরকমই।
সবকিছুই সুন্দর
পাপ,পূণ্য,হিংসা,দহন
আয়োজনে আরো পুষ্পিত সব।
একাগ্রতা কিংবা যুদ্ধ
যুবতীর ঠোঁটে এঁকে যাওয়া চুম্বনের ঘ্রান নেমেছে নাভিগ্রামে
দু'টোই শূন্য।
একসাথে দোলে সন্ধ্যা-রাত্রি যেমন।
স্পর্শ, হয়তো এমনই।
যেরকম থাকো পুষ্পিত পুষ্প
দোলাও হৃদয়,জুড়ে অনন্তবীধি..
উন্মুক্ত উদ্ভাস
কলম খুলে শেষবার
বসবো সাদা কাগজের মন্দিরে।
করজোড়ে নতজানু হবো
ক্ষমা চাইবো অসহায় অক্ষরের কাছে
ক্ষমা চাইবো সমানুপাতিক শিরোনামের পক্ষপাতিত্ত্বের কাছে
ক্ষমা চাইবো ভাষা নিয়ে তৃপ্ত সম্ভাষণের কাছে।
মৃত্তিকা আর মায়াবর্তি মানুষের বেশে আর নয়,
কোনদিন বসে থাকার ইচ্ছেটিও নেই আর খড়ের আলপনায়।
যখন লেগেছে আগুন শব্দের বাতিদানে
পুড়ে যাচ্ছে দীর্ঘ প্রণয়ের উপাখ্যানে লেপ্টে থাকা রঙের আঁচড়
ধ্বসে যাচ্ছে অ আ ক খ আরক্তিম বর্ণমালা।
যখন সহনীয়তা শেখাচ্ছে খোয়াড়ের শুয়োর
দেখাচ্ছে রক্ত লোলুপতা,ঘ্রাণে - অঘ্রাণে
নিভে যাচ্ছে লুই,কাহ্ন,ভুসুকু'র ধ্যানকুঠুরির আদিম আলো
মহামহোপাধ্যায় শাস্ত্রী'র নিরঙ্কুশ মন্তব্যের সাহসী কণ্ঠ
সালাম, বরকত,শফিউরের উজ্জ্বল আয়োজন
সহ্য ও অসহ্যের দারুণ মিথস্ক্রিয়ায় চুপ হয়ে বসবো শেষবার
কলম লিখবে সবটাই
লিখে যাবে হাতের পাঁচ আঙুল
মগজে মননে গেঁথে যাবে একচ্ছত্র উন্মাদ ধ্বনিতত্ত্ব।
পোয়াতি ধানের কবিতা পড়ুন এখানে
english poem's here read
দুরুত্বের অদেখা প্রাচীর পড়ুন এখানে
শারদুল সজল এর কবিতা পড়ুন এখানে
নকিব মুকশি'র কবিতা পড়ুন এখানে
ভাবুক মাস্টারের পাথর পড়ুন এখানে
কবিতার বরপুত্র আসাদ চৌধুরি এখানে পড়ুন
english article here
poem by timur khan here
বাস্তুহারা তারার ইশতেহার পড়ুন এখানে
সুশান্ত হালদারের কবিতা পড়ুন এখানে
মায়াপথিক এখানে
নয়ন আহমেদ এর কবিতা এখানে
গহীন কুয়াশার একরত্তি হাওয়া নিয়ে যায় রোজ।
আগ্রহী চোখের দৃষ্টি খুলে দেখা চুপটি করে শাদা মেঘে !
একজন্ম আঁধার ধরে রাখা এক অদ্ভুত আহবানে বসে আছে সে।
পায়ের নিচে শিশিরে ভেজা ঘাস,
চোখের সামনে এক অদম্য বিহবলতা— মনিরামপুর!
আলোর নাচনে মুগ্ধ এই প্রাণ।নিরন্তর সে শোনায় শিল্পীত সংগীত।
শুনতে শুনতে ধ্যানী হয়ে ওঠে শীতার্ত মগজ...
পায়ের পাশাপাশি পা চলে নিত্যদিন।
পৌষে মগ্ন হয় কী এক দুঃখ কাল্পনিক!
ফিরিয়ে নেয় সে আজন্ম কাঙ্ক্ষিত সময়
ভুলের আড়ালে যাত্রা-চিত্র এঁকে ফেলি ভুলে
মিথ্যে ভোরের আড়ালে তবুও থেকে যায় রেলযাত্রার সুর
তন্ময়তা জুড়ে আঁকে দীর্ঘ পথ— মনিরামপুর!
নস্টালজিয়া
সবাই এখন নষ্ট হচ্ছে যে যার মতো
কেউ বা মিথ্যে সংসারে
জীবন নামের অঙ্গারে
কেউ বা আবার মিথ্যে আশায়
ভুল মানুষের ভালোবাসায়
সবাই ভীষণ নষ্ট হচ্ছে
নষ্ট হচ্ছে এই নগরের আদিম আকাশ
নষ্ট হচ্ছে স্বপ্নচূড়ার দারুণ আবাস !
কবিই শুধু আগের মতো
বুকে নিয়ে গভীর ক্ষতো
জেগে থাকে মধ্যরাতে
যখন তোকে নষ্ট করে ঘুমের ভেতর অন্য পুরুষ
যখন তুই অন্য কারো স্বপ্নে রাঙা মিথ্যে মানুষ ।
সম্পাদক,প্রিয়বরেষু
ঘুমে একা ঝাপটে ধরা দুঃখ'রা সব কোথায় থাকে?
রাতের আড়া'য় ঝিম লাগা সব আগুন পাখায়
কার কাছে যে বৃত্তাবদ্ধ আহবানের মুহুর্তকে
বেভুল বলে বিকেলগুলো ছন্দ শেখায়!
তুই কি জানিস?
গভীরে রাতের গল্পগুলো,কালের ধুলোয় হারিয়ে গেলে
বিশাল,শূন্য বুকের পাঁজর হঠাৎ করেই এলেবেলে
দারুণ সকল কাহিনিতে জড়ায় দু'চোখ চুপটি করে
মায়ের মুখের করুণ সাহস নামায় আঁধার আকড়ে ধরে
তুই কি বুঝিস?
বুঝিস এসব?
মিছেই কেবল দম্ভ করিস,
ভড়ং ধরে দাঁপিয়ে ফিরিস মত্ত পাড়ার অন্ধগলি
জারজ হে তুই ,দুষ্টু শেয়াল
বুঝতে পারিস ভালো-মন্দ লেখার দেয়াল?
না বুঝলে সম্পাদনা করতে আসিস ক্যান হে শুয়োর?

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks