ইরান
একটা বাগান হাসিমুখে সাজে ঢোলকলমির সই, কাছে এক শিশু বিদ্যালয়। বাজারে যাবার পথ ধরে উড়ছে ঘাসফড়িঙ।
সুদূর সমাজে দেখো
দুই ধারে আগুনজনতা নিয়ে
মোনাজাতে হাত তুলে ধরা হরমুজ প্রণালীর ধারা, তাগড়া জোয়ান সূর্য কপালে ঠেকিয়ে শপথ নিচ্ছে
মৃত্যু অথবা মাতৃভূমির! মানে হয় শায়েরিগাছের পাতা হতে বৃষ্টিপানির মতন রক্ত ঝরে লাল হচ্ছে মাটি। এক জন্মে অজস্র মৃত্যুর মত বিভীষিকা তুমি কই পাবে আর আজানের দেশ ছাড়া?
সামান্য শ্রমিক তুমি। হাড় মাংস যেখানে যেটাই পাবে এক করে ফেলে আসো গণকবরে। কথা নয় কাজ করো। চুপচাপ ঘরে ফিরে জপ করো 'গণহত্যা বলে কিছু নাই ভবে, সব দৃশ্যই শান্তির জন্য আঁকা!'
কান্তা সিরিজ: নোলক
তোমাদের দুনিয়াকে আমি অবগত করে যাব শাপলাপাতার নিচে এক সাপের কিসসা, মেঘতুল্য দুপুরের পর আমাদের চোখে ভাসে এক অপার বাগান একা, তুমি স্বভাবতই একা।
মুদ্রার দুইটা পিঠ। অন্যকে দেখে না আরেক পিঠ, তেমনই আমাদের দেখা হয় নাই জিন্দেগিতে, অথচ পিঠাপিঠি মেঘ বইছি দুজনে বুকের বাথান জুড়ে।
তোমাদের দুনিয়াকে আমি অবগত করে যাব মাটির গণিতে মাটি কেন ভেঙে পড়ে আর নদীরা বিভাজ্য সংখ্যা চিরকাল।
তুমি কান্তা, হাসে ঘাসফুল, তোমার নোলকে বসে!
কান্তা সিরিজ: পিটুইটারি গ্রাম
আলো যায়, আলো ছিটকে পড়ে ভূগোলের কিনারায়; তুমি আসো, তুমি চলে যাও, থেকে যাও পিটুইটারি গ্রামে; প্রেমে, বিস্মরণে, প্রেমহীন ভনিতায় সাবলীল!
সমস্ত বৈঠার ফাটল, বুকের জখম ঢেকে আমাকে স্বপ্ন দেখতে হয়, স্নায়বিক সচল থাকতে হয় ভীড়ে।
এত ফুল এত ঘাসফড়িঙের ভীড় তবু কোনো সুরভি অশেষ নাই হৃদয় মোকামে, সবদিক আলো করে জেগে থাকে বদর প্রান্তর বুকে!
প্রেম থেকে সম্পর্কের বর্ণমালা শিখেছি। বিরহ থেকে শিখেছি ছন্দপতন।
কিছুই জানলে না এইসবের।
সিন্ধু হতে হরপ্পা। গাঙ্গেয় অববাহিকা। বর্গীর উৎপাত। মুর্শিদকুলি খা। ঔরঙ্গজেব। কিছুই জানলে না এর।
বাচ্চাদের পেলে পুষে প্যাটিস বানিয়ে দিন কাটছে তোমার। জায়গাটি মেরিকা, আর বলো প্যাটিসের নিজের কোনো ইতিহাস নাই?
আমার বন্ধু মানিক
ধীরস্বর আলো নিয়ে দিগন্ত বসেছে দূরে আর আকাশ আঁধার করে সন্ধ্যা নামে, এরই ভিতর বুক ভরে শ্বাস নেয় মেঘলা ছাতিম।
এই ভর সন্ধ্যাকালে একটা ধুলাওড়া পথ বুকে নিয়ে স্মৃতি ও সবুজেরা একে অন্যের দিকে চায়, যেন হা-হুতাশ, ফ্যালফ্যাল;
আমরা তারানীল মাছের গল্পে যাই দেদার ভেসে, একোরিয়ামে। আমাদের বন্দের শৈশব আর নাই আগেকার টোনে বর্ণিল। যেন কল্পনামাত্র। যেন রথের মেলায় অনেক বেলুন নিয়ে ভেসে যাচ্ছে কৃষ্ণের বোন, কৃষ্ণ আমাদের বন্ধু, ছিলো আরকি। এই যেমন নজরুল গীতি। এই যেমন ব্লাড সুগার। হয়তো ভুলে যাওয়া কারো ঠিকানার দিক হতে আযান হচ্ছে এশার। ওযুখানায় প্রবেশ করছে কিশোর বয়েস আমাদের।
এই গ্রহে কতদিন, স্পর্শহীন, আমরা সকলে, মানিক!
আমি মুহাম্মাদের (সাঃ) লোক-১০
যেখানে থেমেছি আজ, সেখানে উঠান ছিল, মেন্দি গাছের ছিল ছায়া ঝিরিঝিরি; ভোরে কবুতর ওড়া দৃশ্যে ছিল ঝুমঝুমি গান!
কাছের বাজার ডাকে প্রাচীন মাগরিবে, অপাপস্নিগ্ধ রাত, ফুলমাল্য, আধুলি জমানো রাত জাগে কিশোর কিন্নরে, ফসলের হাওয়া লেগে আগুনে ধাক্কা খায় প্রায়ই নীল হ্যারিকেন।
স্লেটে আঁকানো তারাপুঞ্জ হতে ডাকে যে শৈশব তার ধারেই তাহাজ্জুদের নূরে উজ্জ্বল আমাদের নানাজান!
যেদিকে যাবার কথা, শাহ সুলতান, কওম ধারালো করা কালিমা জিকির; সেইদিকে হামেশাই ভাসে বিদাত বড়াই, আর তুমিই যে স্পষ্ট জিয়ৎ কুণ্ড, আর সব পরশুরামের গালগল্পে দুনিয়া বোঝাই, অথচ তোমার প্রেমের তাগিদ নিয়া আহামরি নাই কারো দুয়েক কথা!
সবাইকে ডেকে দেখেছি
তোমার উম্মাহ নিয়া কারো
হ্যাল গরম নাই, সাক্ষ্য দিও হযরত!
আরো পড়ুন......
তাপস চক্রবর্তীর কবিতা পড়ুন এখানে
ঋজু রেজওয়ান এর দশটি কবিতা পড়ুন এখানে
নাহিদ হাসান রবিন এর গল্প পড়ুন এখানে ক্লিক করে
ইমদাদুল হক মিলনের নুরজাহান উপন্যাস নিয়ে প্রবন্ধঃ পড়ুন
চানক্য বাড়ৈ এর কবিতা পড়ুন এই লিংক এ
ইমদাদুল হক মিলনের নুরজাহান উপন্যাস নিয়ে প্রবন্ধঃ পড়ুন
চানক্য বাড়ৈ এর কবিতা পড়ুন এই লিংক এ
| |||||||||||||||
| |||||||||||||||


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks