|| সম্পাদক
জীবনের সংলাপ
সূর্যাস্তের ক্ষণে দাউ দাউ শিখা
ক্রমে ক্রমে জলের গভীরে
নির্বাপনের উৎসমুখে দাঁড়িয়ে
নিজেকে পোড়ানো শিখছি অবিরত ,
অভিনয়ের আড়ালে বিষাদের নোনা জলে
ফুরিয়ে যায় জীবনের সংলাপ
শিকড়ের সোঁদা গন্ধ মাটি
কাছে টানে নিরবধি ,
আসা যাওয়ার এই রঙ্গালয়ে
সবাই তো অমোঘ সত্যের মুখোমুখি।
নির্ঘুমতার রাতে
ক্ষোভ ও অভিমানে বুকের ভেতর
জমে আছে একরাশ দীর্ঘশ্বাস
সাগরের তল থেকে উঠে আসা
এক ব্যর্থ ডুবুরী আমি যেন ,
প্রেমের সাঁকো বেয়ে পৌঁছে যাই
তোমার কাছে নির্ঘুমতার রাতে।
কামনা বাসনার স্মৃতি বিস্মৃতির
মোহজালে বন্দী রাতের ধরনী
কেড়ে নেয় ঘুম ,করে ব্যাথতুর কেবলি !
যদি কাঁদতে পারি
বিভ্রমের ভয়াল মেঘ তাড়া করে অহর্নিশ
আঁধারে পথ চলি
ভুলের সমুদ্রে ডুবে নকল চাকচিক্যে,
পার্থিব ভাবনাগুলো প্রায়শই অর্থহীন
বন্দী মোরা তবুও ভাবছি স্বাধীন!
সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমা সীমাহীন
জোনাকির কাছে আলোর মশাল
ভেবেছি কি কোনদিন?
বিধাতার প্রেমে যদি কাঁদতে পারি
খোদার সৃষ্টিকে ভালোবাসতে জানি
কান্নার মাঝেই লুকিয়ে হাসি
এমন কান্নায় সুখ রাশি রাশি
সত্যিকারের কান্না কাঁদতে শিখি নিশিদিন।
বিবর্ণ ছায়া
সকাল গোধূলি বিষণ্ণ বিলাপ
ঝরা ব্যাধি মৃত্যুর হাতছানি
নিত্য বয়ে যায় কান্নার স্রোত
সুরমা থেকে গড়াই মধুমতি ,
ধূর্ত শৃগালের কুটচালে ভাঙ্গে
অসহায় অক্ষমের বুকের পাঁজর
জীবনের উঠানে জমে ঝরাপাতা
দু'চোখে কেবলি বিবর্ণ ছায়া ,
মেঘালয়ের পাহাড় ছুঁয়ে সুন্দরবন
অমানবিক হাতে রক্তের প্লাবন
অবিবেকি কাজে লোভের জালে
দেখি দুর্বলের অকাল মরণ ।
অনুতাপের ঢেউ
জন্মের কৃতজ্ঞতায় দূরে রাখি
গন্ধম তৃষ্ণার যাবতীয় পাঠ
আদি পাপের ভয়ে আচমকা
সজল চোখে নামে অনুতাপের ঢেউ
কোন অভিশাপে ভাসে আজো
বেহুলার বেলা স্বর্গের পানে ?
দিকভ্রান্ত ছুটে চলার পথে
একরাশ বিষণ্নতা মননে মগজে
ক্লান্তির ছাপ অবসন্ন দেহে
সুখ মরিচীকা আলেয়ার আলো!
আরো পড়ুন....

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks