শাখাওয়াত তানভীর এর গুচ্ছ কবিতা।। poems by shakhawat tanvir কুয়াশা


শাখাওয়াত তানভীর এর গুচ্ছ কবিতা.....

থেকে যায়- কবিতা

দৈনন্দিন আনন্দের বন্টন শেষে
জীবনের বিষণ্ণ সন্ধ‍্যা নামে
অতঃপর সবাই চলে যায় অমানিশায়
থেকে যায়- কবিতা!
আমি ফিরি- কবিতার কাছে
কবিতার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ি।

কবিতা-
মাথায় বিলি কেটে আমার ভাবনার দখল নেয়
বুকে কোমল হাত রেখে দুঃখগুলো তুলে আনে
চোখে উষ্ণ ঠোঁট রেখে চুষে নেয় জমাট অশ্রু 
কবিতার সঙ্গমে শ্রান্ত আমি-
প্রাণভরে মৌনতা গিলি
আকন্ঠ জোৎস্না পান করি
চোখ ভর্তি তমসা নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি!

যতই গভীরে যাই

যতই গভীরে যাই---
ছুঁয়ে যায়- আবেশি অন্ধকার 
পূর্ণানন্দে সব শূন‍্য মনে হয়;

যতই গভীরে যাই
স্পর্শ পাই- মোহিত আদ্রতার
জলের দহনে রুদ্র জলীয় ক্ষয়;

যতই গভীরে যাই
পৌঁছে যাই- সীমান্তে তোমার
কাছে থেকেও দূরত্বের অভিনয়;

যতই গভীরে যাই
বুঝে যাই- আমি নই আমার
কালান্তরে বংশগতির কামুক বিস্ময়!

সুবর্ণদ্বীপ

আমায় একটি বর্ণ দাও
আমি তোমাকে একটি মিষ্টি শব্দ দেব;

আমায় একটি শব্দ দাও
আমি তোমাকে একটি মায়াবী পদ‍্য দেব;

আমায় একটি পদ‍্য দাও
আমি তোমাকে একটি পূর্ণদৈর্ঘ‍্য গল্প দেব;

আমার সেই গল্পে একটা দ্বীপ থাকবে
দ্বীপটির নাম দেব- সুবর্ণদ্বীপ;

সেই দ্বীপটিতে একটা পাহাড় থাকবে
পাহাড়ের বুকে একটা ঝরনা থাকবে
ঝরনার পাদদেশে একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ থাকবে
কৃষ্ণচূড়ার ছায়াতলে একটা ছোট্ট কুঁড়েঘর থাকবে 
ঘর ভর্তি প্রেম থাকবে, পাখিদের গান থাকবে
দখিনা বাতাসে নদীর ঘ্রাণ থাকবে

পাহাড়ের গায়ে মেঘ থাকবে, সন্ধ‍্যে হলে বৃষ্টি নামবে
তারা ভরা রাত থাকবে, পঞ্চদশীর চাঁদ থাকবে
জোনাকীরা জ্বলবে, ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক থাকবে 

আমি থাকবো, তুমি.........
আমার দ্বীপটিতে সবই আছে, 
শুধু......শুধু তুমিই থাকনি!

দন্ডিত প্রেমিক

ভালোবাসলে- পুরুষ আর মানুষ থাকে না
দণ্ডিত প্রেমিক হয়ে যায়; আর প্রেমিক মানেই-
রুদ্র ঝড়, দুর্বিনীত হিমালয়, মহা বিদ্রোহী!
অথচ হৈমন্তী চন্দ্রিমা হঠাৎ বুঝিয়ে দিল
প্রেমিক নই, আমি এখন বিবর্ণ আটপৌরে মানুষ!
মানুষ হওয়ার অক্ষমতায়-
এক জীবনের দূরত্বে দাঁড়িয়ে 
চাঁদের দিকে তাকিয়ে ভাবছি অবেলায়
কখন তুমিও তাকাবে, কখন মিলবে অবসর
চাঁদের আঙিনায় হবে- সৃষ্টিছাড়া গোপন দৃষ্টিপাত!

যদি প্রেমিক হতাম- পূর্ণিমার গরল পান করে
সীমান্ত প্রাচীর ভেঙে আলোর বেগে পৌঁছে যেতাম
তোমার নিঃসঙ্গ দীর্ঘশ্বাসের খুব কাছে!
চন্দ্রগ্রহণের পূর্বেই তরল চুম্বনে ভিজিয়ে দিতাম
অবাঞ্ছিত কামনায় বিক্ষত তোমার দগ্ধ যুগল ঠোঁট!

হে কার্তিকের কলঙ্কিত চাঁদ-
এক পেয়ালা জোছনার গরল দাও, পান করি
শকুনের রাজত্বে আমি আজ দণ্ডিত প্রেমিক হব

তুমি এলে না,মুক্তি এলো না

কথা দিলে, সুর তো দিলে না
রাতের পর রাতই আসে
মানুষহীন এই তমসার নিবাসে
ভোরের গান হয়ে তবু তুমি এলে না
স্বপ্ন দেখালে, ভালোবাসা তো দিলে না
ঘৃণার পর ঘৃণাই মিলে
সবুজহীন এই মরুর নিখিলে
শ্রাবণের মায়ামেঘ হয়ে তবু তুমি এলে না
রক্ত নিলে, মুক্তি তো দিলে না
শিকল ছিঁড়ে শিকলই পরি
রুদ্র সাগর পারাপারে নাই তরী
পারের পথ হয়ে তবু তুমি এলে না
তুমি এলে না
ফাগুন এলো, বসন্ত এলো না
তুমি এলে না
বিপ্লব এলো, মুক্তি এলো না!

নিশিকাব‍্য

তাকে ডেকেছি আজ, জলসা ঘরে
চাঁদ ডুবে গেলে-
নিস্তব্ধ রাতের দ্বিতীয় প্রহরে;
অনেক দিন গল্প হয়না তার সাথে
কোন এক অজানা অভিমানে
ইদানীং সে দূরে দূরেই থাকে-
নিজেকে ছেড়ে, সঙ্গোপনে;
কোলাহল থেমে যায়,
থেমে যায়-

গলির ধারের কুকুরটিও 
রাত প্রহরীর চোখে ঘুমের আপোষ,
রাতের গভীরে কামুক হয়ে উঠে
কুমারী অন্ধকার....
চেটেপুটে গিলে খায় রঙিন মেকাপ
খসে পড়ে জাগতিক মুখোশ;
অতঃপর.. সে আসে..ধীরে...

নগ্ন আমি- মুখোমুখি হই তার...
গহীনে বেজে উঠে নৈঃশব্দ‍্যের কলরব,
রাতের মৌনতায় গলে পড়ে অভিমান
মিশে যাই- আমরা হই আমি
হ্নদয় খুঁড়ে- শুরু হয় নীল উৎসব;
রাতের বুকে জমতে থাকে অবসাদ;
রাত জানে মন-দরিয়ায় 
কতটা ভাঙ্গন,
রাত জানে পাথর চোখে 
কতটা শ্রাবণ;
রাত জানে কতটা অন্ধকার 
বুকের ভিতর,
রাত জানে কিভাবে রাত হয়ে যায় 
আমার প্রতিটি প্রহর!

প্রস্থান

যাবে? যাও...!
শোন-
জানালাটা... না থাক, বন্ধ করো না
পর্দাটা টেনে যেও- আলো চাই না
শিউলির সৌরভ নিয়ে- 
শিশিরভেজা হেমন্তের বাতাস আসুক;
যদি কিছুটা সময় থাকে-

গাছের টবগুলোতে পানি দিয়ে যেও
জলের উল্লাসে কিছুদিন না হয় সবুজ বাঁচুক;
খাঁচার মুখটা খুলে দিতে পার
চন্দনাটা মুক্তি পাক-

নীড়হীন নীলিমায় ডানা মেলুক;
দরজাটা ভালো করে ভিড়িয়ে দিও কেমন
অবাঞ্চিত ভ্রুকুটি চাই না আর
সময় হয়েছে একা হবার
ক্লান্ত আমি, ঘুমবো এবার!
শোন- 
ভালো থেকো, আর ভুলে যেও!
ভালোবেসে কুড়িয়েছি স্বপ্নের শব
দিনান্তে বেড়েছে জীবনের ক্ষত,
আমি হয়তো ঠিক মানুষ নই
তবুও জেনো- 
ভালোবেসেছিলাম মানুষেরই মত

কাউকে খুঁজছেন?

কাউকে খুঁজছেন?
দুঃখিত, এইখানে কেউ থাকে না.....
সে' তো আসেনি
ও' তো চলে গেছে, ফিরেনি
তাকেও খুঁজে পাচ্ছিনা 
তারাও কেউ নেই
কেউ থাকেনা অবেলায়...
অন‍্য কিছু  খুঁজছেন?
না, আলো নিভে গেছে সেই কবে
রাশভারি সুখ এই তল্লাটে আসেনি কখনও
রাগ-অনুরাগের খরায়-
ঘৃনাও হারিয়ে ফেলেছে চিরায়ত অভ‍্যেস
ভালোবাসা?
থাক না হয় সে কথা
গ্রহনকালে কী হবে জেনে চাঁদের মৌনতা
দাড়ান, দাড়ান, আস্তে.. ধীরে 
হোঁচট খাবেন তো- অন্ধকারে
পঁচা-নোনতা গন্ধ কিসের?
এই যে, এইখানে.. বাঁ-পাশে আস্তাকুঁড়- দুঃখের!
নানাবিধ দুঃখ জমাট বেধে আছে
জীবনের জলে দুঃখের ড‍্যাম্পিং চলছে এখন...
ইচ্ছে হলে আপনিও রেখে যেতে পারেন
এক বুক দুঃখ.....

আমি?

আমি দুঃখের ফেরিওয়ালা, দুঃখ নিয়েই কারবার
জোছনাহত কায়ার ছায়া, এক টুকরো অন্ধকার

ঘুমহীন দহনকাল

শূন‍্যতার বুকে- 
বিষাদের পেরেক মেরে শব্দ গাঁথছি
শব্দগুলো আকাশমুখী সিঁড়ি হচ্ছে
শব্দের সিঁড়ি স্বর্গ ছুঁবে একদিন
না, স্বর্গ চাই না; নরকের মানুষ আমি
কলুষিত মানব জীবন, স্বর্গ আমার জন‍্যে না
শুনেছি, মা থাকেন ওখানে
রুগ্ন পৃথিবীর তপ্ত শ্বাসে পুড়ছে হৃদয় 
আজকাল জলেরও দাম বেড়ে যায় প্রয়োজনে
মমতার জল মেলে না কোথাও; 
ঘুমহীন এই দহন কালে-
কেন জানি মা'কে মনে পড়ছে খুব!
ভাবছি- কোন এক প্রিয়তম অন্ধকারে
শব্দের সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাব স্বর্গের পশ্চাৎ দুয়ারে
উঁকি মেরে দেখব মা'কে; আর 
নিমন্ত্রণ জানিয়ে আসব তাকে-
আমার বিষাদ কাব‍্য শোনার,
মা নিশ্চয়ই ফেরাতে পারবে না- এই নিমন্ত্রণ!
কোন এক পূর্ণিমা রাতে স্বর্গীয় অবসরে
শব্দের সিঁড়ি বেয়ে স্বর্গ থেকে
মা নেমে আসবেন আমার পাপগৃহের উঠোনে 
মাদুর পেতে বসে- দিবেন হাঁক.......
"কইরে তানু.. এদিকে আয়.. কী বলবি, বল..
সময় যে নাই... দেরি করিস কেন উজবুক...."
পাপদাহে পোড়া শরীর নিয়ে ছুটে আসব আমি
বসে পড়ব মা'য়ের কোল ঘেষে

অতঃপর-
আমার যত বিষাদ কাব‍্য শোনাবার ছলে
শুয়ে পড়ব কোলে মাথা রেখে
জোছনায় স্নান সেরে মমতার জলে শীতল হব 
এবং ঘুমিয়ে পড়ব অলৌকিক আদরে!
বৈরি বাতাসে পোড়া মানুষের ঘ্রাণ
চোখ বন্ধ করলেই তাড়া করে নিহত স্বপ্নের শব
আহ্! কতদিন ঘুমাই না, নিশ্চিন্ত নিঃশ্বাসে!
কোল ভর্তি শীতল ঘুম নিয়ে আসবে, মা?

জেগে উঠার গান

আমনের ফলন বেশ ভালোই হলো
চৈতালি ফসলের বীজ বোনাও শেষ
আউস আবাদের ঢের আছে বাকী
এখন আমাদের অবসর
আমরা এখন রঙমঞ্চের উৎফুল্ল দর্শক
কবি, সময় হয়েছে- এবার আপনি চলে আসুন

মঞ্চ প্রস্তুত 

বিদগ্ধ ভাবনাগুলো টগবগ করে ফুটছে
বিশৃঙ্খল শব্দগুলোও শৃঙ্খলিত হচ্ছে
সম্মূখে আমরা-  অপেক্ষা করছি 
নতুন কিছু শোনার, নতুন কিছু দেখার
যদিও আমাদের দৃষ্টি জুড়ে কুয়াশা
আমাদের চৈতন্য শীতনিদ্রায় নাক ডাকছে
বোধের ঘর কেটে চলেছে স্বৈরচারী ঘূনপোকা
তবু আমরা এসেছি নতুন কিছু শুনবো বলে
কবি, চলে আসুন সম্মুখের ঐ রাজপথ ধরে
নতুন সূর্যের ঝলমলে রোদ্দুর নিয়ে
কবি, দেরি করবেন না আর
মঞ্চের পিছনেই অন্ধ গলি
ওখানে ওৎ পেতে আছে কিছু সুবেশী কালো মুখ
ওরাও মঞ্চের দখল নিতে চায়
ওদের কেউ আমাদের ফসল খেকো লুটেরা
কেউ আবার সেই ফসলের-

মধ‍্যস্বত্বভোগী চতুর বেনিয়া
কেউ আছে বহুরূপী রাজারনীতির ধারক
আমাদের কন্ঠরোধ করে যারা 
গেয়ে যায় আমাদেরই মুক্তির গান 
কবি, আপনি কোথায়? এত বিলম্ব কেন?
বড্ড দেরি করে ফেলছেন
বহুকাল আগে এই মঞ্চে এক মহাকবি এসেছিলেন 
আমাদের শুনিয়েছিলেন এক মহাকাব‍্য
রচিত হয়েছিল লাল-সবুজ ইতিহাস
তারপর হঠাৎ শূন‍্যতা, সেই থেকে-

নানাবিধ নাট‍্য মঞ্চস্থ হয়ে যাচ্ছে এই রঙমঞ্চে
আমরাও সেই সব নাটক দেখছি আর ঘুমিয়ে পড়ছি
নাটক দেখার ছলে নাটকের কূশীলব হয়ে উঠছি
আমরা এখন আর কবিতা শুনি না, মিছিলে যাই না
আমাদের শরীর পুড়ে যায়, তাকিয়ে তাকিয়ে দেখি
আমরা কিছুই বলি না, আমাদের কেবলই ঘুম পায়
কবি, এই মঞ্চে অনেক দিন কেউ নতুন কিছু বলে না
আমরা প্রতিদিনই অপেক্ষায় থাকি, জেগে ওঠার 
ভাবি- পোড়া এই লোকালয়ে কেউ একজন আসবে 
ঘুম ভাঙ্গানিয়া হুইসেল বাজিয়ে
কবি, এবার অন্তত আপনি আসুন
অসূর বিনাশী ঝড় হয়ে জনতার মঞ্চে উঠুন 
আমাদের শোনান-
নতুন এক কবিতা- জেগে উঠার গান
আমাদের মুখে তুলে দিন মুক্তির শ্লোগান


আরো পড়ুন..

English

English article read here
english poem's here read
english article here
poem by timur khan here
article of law and literature : click here
nobel prizev:2025 on litterature here
poem by p.francis click here

কালরাতের কালো গল্প পড়ুন এখানে 
ঢাকার আঞ্চলিক কবিতা পড়ুন এখানে
অন্ধকারের বোতাম খুলে পড়ুন এখানে
প্রকান্ড ও ক্ষুদ্র অহংকারের বিরুদ্ধে পড়ুন এখানে
সাহিত্য আড্ডা নিয়ে রিভিউ পড়ুন এখানো
এসডি সুব্রত'র বই ও কবিতা পড়ুন এখানে
অনিন্দ জসীম এর বই ও কবিতা পড়ুন এখানে
মিলন মাহমুদ এর কবিতাগুচ্ছ পড়ুন এখানে
সাদমান সজীব এর মৃত্যুমৈথুন পড়ুন এখানে
মা দিবসের কবিতাসমূহ পড়ুন এখানে
রুদ্র সাহাদাৎ এর কবিতা পড়ুন এখানে
হাবিব হেলাল এর গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
নিরাঞ্জন রায়ের কবিতা পড়ুন এখানে
শ্রমিক দিবসের কবিতা পড়ুন এখানে
মে দিবসের কবিতাগুচ্ছ পড়ুন এখানে
আবদুর রাজ্জাকের কবিতা পড়ুন এখানে
অনিক খুরশীদের পড়ুন এখানে
চরু হক এর কবিতা পড়ুন এখানে 
প্রেমাাংশু শ্রাবণের কবিতা পড়ুন এখানে
সোমা দে'র নিবন্ধ পড়ুন এখানে
সিকান্দার কবিরের কবিতা পড়ুন এখানে 
তমিজ উদ্দীন এর কবিতা পড়ুন এখানে
আমিনুল ইসলামের কবিতা পড়ুন এখানে
জিল্লুর রহমান শুভ্র'র কবিতা পড়ুন 
রেজাউদ্দিন স্টালিন এর কবিতা পড়ুন
শামসুর রাহমানের গদ্য পড়ুন
নয়ন আহমেদ এর কবিতা পড়ুন
ভাস্কর চৌধুরীর কবিতা পড়ুন
নববর্ষের গল্পগুচ্ছ পড়ুন এখানে
নববর্ষের ছড়াগুচ্ছ পড়ুন এখানে
নববর্ষের গদ্য পড়ুন এখানে
নববর্ষের কবিতাগুচ্ছ পড়ুন এখানে
সাজ্জাদ সাইফের কবিতা পড়ুন এখানে
স্বাধীনতা দিবস সংখ্যা পড়ুন এখানে
ঈদ সংখ্যা।।২৬ ছড়া পর্ব এখানে পড়ুন
ঈদ সংখ্যা।।২৬ প্রবন্ধ পর্ব পড়ুন এখানে
ঈদ সংখ্যা/২৬ গল্প পর্ব পড়ুন এখানে
ঈদ সংখ্যা/২৬ কবিতা পর্ব পড়ুন একানে
অনন্ত পৃথ্বীরাজ এর রোমান্টিক কবিতা পড়ুন
একুশের একগুচ্ছ কবিতা পড়ুন এখানে
দুলাল সরকার এর গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
খৈয়াম কাদেরের কবিতা পড়ুন এখানে
মাহবুবার করিমের কবিতার পড়ুন এখানে
খসরু পারভেজের কবিতা পড়ুন এখানে
রাহমান ওয়াহিদের গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
সিদ্দিক প্রামাণিক এর কবিতা পড়ুন এখানে
আযাদ কালামের কবিতা পড়ুন এখানে
বিজয় দিবসের বিশেষ সংখ্যা পড়ুন এখানে
নাগিব মাহফুজ এর উপন্যাস ভিখারি পড়ুন এখানে
কবি আমিনুল ইসলামের দারুণ কবিতা পড়ুন এখানে
তমিজ উদদ্ীন লোদীর গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
রোকসানা ইয়াসমিন মণির কবিতা পড়ুন এখানে
মতিন বৈরাগীর কবিতা এখানে পড়ুন
মাসুদ মুস্তাফিজের কবিতা পড়ুন এখানে
অমিত চক্রবর্তীর কবিতা পড়ুন এখানে
বড় ও বিখ্যাত কবির কবিতা পড়ুন এখানে
জিয়াবুল ইবন এর কবিতা পড়ুন এখানে
কাজুও ইশিরোগুরের উপন্যাস বিশ্লেষন প্রবন্ধ পড়ুন এখানে
শূন্য ও আকাশের প্রতি পড়ুন এখানে
অনলাইন সাহিত্যের গুরুত্ব পর্যালোচনা পড়ুন এখানে
এমরান হাসানের কবি পড়ুন এখানে
পোয়াতি ধানের কবিতা পড়ুন এখানে
দুরুত্বের অদেখা প্রাচীর পড়ুন এখানে
শারদুল সজল এর কবিতা পড়ুন এখানে
নকিব মুকশি'র কবিতা পড়ুন এখানে
ভাবুক মাস্টারের পাথর পড়ুন এখানে
কবিতার বরপুত্র আসাদ চৌধুরি এখানে পড়ুন
বাস্তুহারা তারার ইশতেহার পড়ুন এখানে
সুশান্ত হালদারের কবিতা পড়ুন এখানে
মায়াপথিক এখানে
নয়ন আহমেদ এর কবিতা এখানে 
লতিফ জোয়ার্দারের কবিতা পড়ুন এখানে
ইসলাম তৌহীদের কবিতা পড়ুন এখানে
মহসিন খোন্দকারের কবিতা পড়ুন এখানে
গল্প বরফের ছুরি পড়ুন এখানে
প্রবন্ধ,উত্তরাধুনিক কাব্যধারার যাত্রাঃ মতিন বৈরাগী-এখানে
প্রবন্ধঃ রাজনীতি ও সাহিত্য পারস্পরিক সম্পর্ক পড়ুন এখানে
কবি মজিদ মাহমুদের গুচ্ছকবিতা পড়ুন এখানে
প্রবন্ধ,নজরুলের রহস্য,পড়ুন এখানে
লিসেল মুলারের অনুদিত কবিতা পড়ুন এখানে
ভিন্ন স্বাদের গল্প,কফি হাউজের ওয়েটার' পড়ুন এখানে
নজরুলের রহস্যময়তা নিয়ে প্রবন্ধ পড়ুন এখানে
চৌধুরী মো.তারিকের কবিতা পড়ুন এখানে
শিশির আজমের দীর্ঘ কবিতা পড়ুন এখানে
মিলন ইমদাদুলের কবিতা পড়ুন এখানে
তাপস চক্রবর্তীর কবিতা পড়ুন এখানে 
ঋজু রেজওয়ান এর দশটি কবিতা পড়ুন এখানে
নাহিদ হাসান রবিন এর গল্প পড়ুন এখানে ক্লিক করে
ইমদাদুল হক মিলনের নুরজাহান উপন্যাস নিয়ে প্রবন্ধঃ পড়ুন
চানক্য বাড়ৈ এর কবিতা পড়ুন এই লিংক এ
বিনয় মজুদারকে উৎসর্গিত পিয়াস মজিদের কবিতা পড়ুন এখানে
কবি আমিনুল ইসলাম মুল্যায়ন প্রবন্ধ পড়ুন এখানে 
ড. আলী রেজার প্রবন্ধ পড়ুন এখানে ক্লিক করে
মোহাম্মদ জসিমের ভিন্ন রঙের কবিতা পড়ুন এখানে
জিল্লুর রহমান শুভ্র'র ভিন্ন স্বাদের কবিতা পড়ুন এখানে
ওপার বাংলার বিখ্যাত কবি রবীন বসুর কবিতা পড়ুন ক্লিক
ওপারের কবি তৈমুর খানের কবিতা পড়ুন এখানে

Post a Comment

Thanks

নবীনতর পূর্বতন